Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা

ক্রীড়া ডেস্ক | CricBengal.com

কেপ টাউন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কাগিসো রাবাদার পেস আক্রমণ এবং সাইমন হার্মারের বিধ্বংসী স্পিন ঘূর্ণিতে দিশেহারা অস্ট্রেলিয়া দল ২৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায়। এই জয়ে দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ফিরে পেল প্রোটিয়ারা।

রাবাদার মাইলফলক ও হার্মারের রেকর্ড গড়া বোলিং

কেপ টেস্টের শেষ দিনে জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের শেষ দিনের প্রথম ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন তারকা পেসার কাগিসো রাবাদা। তিনি একে একে ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন ও ট্রাভিস হেডকে ফিরিয়ে দিয়ে সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। ট্রাভিস হেডকে আউট করার মধ্য দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের ৩৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন রাবাদা।

এর পর শুরু হয় সাইমন হার্মারের স্পিন জাদু। প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট শিকার করা হার্মার দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৬ রান খরচায় তুলে নেন ৬ উইকেট। টেস্ট ক্রিকেটে এটি তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার। এছাড়া এক টেস্টে প্রথমবারের মতো ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়ে কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম স্পিনার হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। প্যাট কামিন্স (৪৫ রানের জুটি) কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত হার্মারের ঘূর্ণিতে ১১১ রানেই থামে অজিদের ইনিংস।

র‍্যাঙ্কিং ও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে বড় পরিবর্তন

এই ঐতিহাসিক জয়ের ফলে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসের পর প্রথমবারের মতো আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের জয়ে অস্ট্রেলিয়া নেমে গেছে দুই নম্বরে। অন্যদিকে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (WTC) পয়েন্ট টেবিলেও এসেছে বড় রদবদল। সিরিজ শুরুর আগে শীর্ষে থাকা অস্ট্রেলিয়া নেমে গেছে তৃতীয় স্থানে। তাদের সরিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে নিউজিল্যান্ড এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সমগ্র সিরিজে ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্স (১৯৮ রান ও ১৩ উইকেট) দেখিয়ে সিরিজসেরার পুরস্কার জিতেছেন প্রোটিয়া অলরাউন্ডার মার্কো ইয়ানসেন।

CricBengal বিশ্লেষণ: ঘুরে দাঁড়ানোর রূপকথা ও বোলিং ডেপথ

আমাদের ক্রীড়া বিশ্লেষণ ডেস্কের মূল্যায়ন অনুযায়ী, প্রথম টেস্টে হেরে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্তভাবে কামব্যাক করে সিরিজ জয় প্রমাণ করে দক্ষিণ আফ্রিকান দলের মানসিক দৃঢ়তা। রাবাদার পেস আক্রমণ এবং হার্মারের স্পিন বৈচিত্র্য যেকোনো কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ধসিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এই জয় প্রোটিয়া ক্রিকেটকে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে অনেক দূর এগিয়ে রাখবে।

তথ্যসূত্র ও মূল লিংকসমূহ:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles